islamic banglabook

Description
পথভ্রান্ত, মানবতা বিবর্জিত, মমতাশুন্য আমাদের এ সমাজে সদ্য-ভুমিষ্ট নিষ্পাপ পথশিশু যথার্থ প্রতিপালনের অভাবে কিংবা ধর্মীয় মূল্যবোধ শিক্ষাদানের অভাবে কালক্রমে একজন প্রলংকারী দুর্ধর্ষ ত্রাসে পরিনত হয়। দেশ কিংবা বিশ্বখ্যাত শিক্ষানিকেতন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, বুয়েটের মত প্রতিষ্ঠানে পড়েও ইসলামের সুমহান শিক্ষার অভাবে নেশাগ্রস্ত মাতাল হয়ে পরে থাকে একটি শিক্ষার্থী, মদ্যপ মেয়ের হাতে জন্মদাতা-দাত্রীর প্রান হরনের ঘটনা কারও অজানা নয়। রুটি-রুজির অভাবে মানুষ অন্যায়ের পথকে উপার্যনের পাথেয় করে নেয়, অসহায় মানুষ শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্য, বাসস্থানের অভাবে বিপর্যাস্ত অবস্থায় দিনাতিপাত করে। এমন উপমাসম অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজে আলো উদ্ভাসিত করার মহান দ্বায়িত্ব নিয়ে মরহুম মোজাদ্দেদ “হযরত হাতেম আলী (রহঃ) আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। লড়ে গেছেন জুলুমবাজ, ধর্মহীন, ধর্মদ্বেষী, ধর্ম-ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে। সংগ্রাম করেছেন ইসলামের আমলি মাছালার অর্ধাংশ এবং সমগ্র কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ মাসআলা- মুসলমানদের থেকে বিলুপ্ত ইলমে তাছাওউফের ফরজ শিক্ষাকে মানব সমাজে প্রচারের জন্য। এবারে শুরু হল বাহাস,এক দুই নয় হাজারো হাজারো বাহাস করে কোরআন,হাদীস,ইজমা,কিয়াস ও অতীত যুগের নায়বে রাসূলদের কিতাবের অকাট্য দলীলের মাধ্যমে ইলমে তাছওউফের ফরজিয়াতের বিষয়টি প্রমান করেন তিনি। দ্বীন শিক্ষার জন্য হাদী / ধর্মশিক্ষক (পীর) থেকে শিক্ষা গ্রহন যে জরুরী সে ক্ষেত্রে যে কেউ কামেল আবার কেউ নাকেছও অছে। কোরআন, হাদীস, ইজমা, কিয়াস ও ফতওয়ার কিতাবের মাধ্যমে তা তিনি সমাজের কাছে স্পষ্ট করেন। আর তিনি রেখে গেছেন মানবজাতীর পথের পাথেয় বেশ কিছু মহামূল্যবান কিতাব যা পূর্নাঙ্গ ইসলাম শিক্ষার আলোকবর্তিকা।